insta logo
Loading ...
×

সালিশি সভায় মারধর শিক্ষককে

সালিশি সভায় মারধর শিক্ষককে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বলরামপুর :

গাছ কাটার প্রতিবাদ করেছিলেন শিক্ষক। ফলে রোষানলে পড়ল তার পরিবার। বেআইনি ভাবে এক ঘরে করে রাখা হলো তাকে। সালিশি সভা বসিয়ে মোড়ল সহ গ্রামবাসীদের একাংশের বিরুদ্ধে উঠল মারধর করার অভিযোগ। রবিবার পুরুলিয়ার বলরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নামো হাতুয়াল গ্রামের বাসিন্দা রবিলাল মান্ডি। রবিলাল বাবু বাঘমুন্ডি হাই স্কুলের ইতিহাসের শিক্ষক। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের পরিবারকে সমর্থন করায় গ্রামের আরো দুটি পরিবারকে এক ঘরে করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বলরামপুর থানার দেউলি মৌজায় একটি জমিতে বেআইনি ভাবে ৩২ টি পলাশ গাছ কেটে ফেলা হচ্ছিল। ওই শিক্ষক বৃক্ষ ছেদনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলায় বিচারক বন দফতরকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে ৩২ টি পলাশ গাছের গুঁড়ি বাজেয়াপ্ত করে বন দফতর। বলরামপুর রেঞ্জ আধিকারিক সৈকত মণ্ডল বলরামপুর থানায় নামো হাতুয়াল গ্রামের ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে বলরামপুর থানার পুলিশ।
শিক্ষক রবিলাল মান্ডির অভিযোগ, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার আগে গ্রামে সালিশি সভা বসিয়ে মোড়লের ঘোষণায় গত বছর মে মাস থেকে তার পরিবারকে এক ঘরে করে রাখা হয়। রবিবার ফের গ্রামে একটি সালিশি সভা বসে। ওই সভায় ডাকা হয়ে রবিলাল মান্ডিকে। অভিযোগ ওই সভায় মোড়লের নির্দেশে তাকে মারধর করা হয়। এদিকে প্রভাবশালী মোড়লদের বিরুদ্ধে গ্রামের কেউ প্রতিবাদও করতে পারেনি। শিক্ষকের অভিযোগ, ঘটনার পর ভীষণ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। তাকে ওই সভা থেকেই মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Post Comment