insta logo
Loading ...
×

মানবাজারের বন্য প্রাণ বাঘ নয়? পায়ের ছাপে কোন সূত্র পেল বন দফতর?

মানবাজারের বন্য প্রাণ বাঘ নয়? পায়ের ছাপে কোন সূত্র পেল বন দফতর?

নিজস্ব প্রতিনিধি, মানবাজার :

পায়ের ছাপ মিললো। আর তা দেখেই মানবাজার ২ নং ব্লক এলাকায় আগন্তুক বন্যপ্রাণ যে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার নয়, সে বিষয়ে এক প্রকার নিশ্চিত বন দফতর। মঙ্গলবার সকালে কংসাবতী দক্ষিণ বনবিভাগের মানবাজার ২ রেঞ্জের আগুইবিল মৌজার একটি সবজির জমিতে ভেজা মাটিতে একাধিক পায়ের ছাপ দেখতে পান স্থানীয় চাষিরা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে। পরে সেখানে পৌঁছান কুমারী বিটের বনকর্মীরা।

কংসাবতী দক্ষিণ বন বিভাগের ডিএফও পূরবী মাহাতো জানান, উদ্ধার হওয়া পায়ের ছাপ বাঘের নয়। তাঁর বক্তব্য, বাঘের পায়ের ছাপের তুলনায় এগুলি আকারে ছোট। পাশাপাশি নখের চিহ্নও স্পষ্ট রয়েছে, যা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায় না।

এর আগেই রবিবার ভোরে গোলাপাড়া গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলের ধারে সড়ক পথের পাশে প্রায় ৫০ ফুট দূরত্বে বাঘ দেখার দাবি করেছিলেন এক বৃদ্ধ। যদিও সেই দাবি এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি বনদফতর। পরপর দু’দিন ধরে তল্লাশি চালিয়েও বাঘের কোনও পায়ের ছাপ মেলেনি। জঙ্গলে বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরাতেও কোনও ছবি ধরা পড়েনি।

গ্রামবাসীদের একাংশের অনুমান, কোনও বন্যপ্রাণী হয়তো বাঁকুড়ার দিক থেকে এসে আবার সেদিকেই ফিরে গিয়েছে। তবে বাঘ দেখার দাবি ঘিরে এলাকায় চর্চা যেমন চলছে, তেমনই রয়েছে চাপা আতঙ্কও। বনদফতর বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও পরিস্থিতিকে হালকা ভাবে নিচ্ছে না। সে কারণেই গ্রামবাসীদের অকারণে গবাদি পশু নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শুকনো পাতা বা কাঠ সংগ্রহের প্রয়োজন হলে দলবদ্ধ ভাবে যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছে বনদফতর। মঙ্গলবারও জঙ্গলে বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় কোনও বন্যপ্রাণীর ছবি ধরা পড়েনি। তবে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।

Post Comment