insta logo
Loading ...
×

ক্ষমতায় এলে থানায় থাকবে বুলডোজার, বান্দোয়ান থেকে নিদান কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

ক্ষমতায় এলে থানায় থাকবে বুলডোজার, বান্দোয়ান থেকে নিদান কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দোয়ান:

বিজেপি ক্ষমতায় এলে থানার সামনে পুলিশের গাড়ির পাশাপাশি থাকবে হলুদ রঙের বুলডোজার, এমনই কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রবিবার বিকেলে পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের মাংলা মাঠে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ থেকে এই মন্তব্য করেন তিনি।

সুকান্তের দাবি, বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় এলে জঙ্গলমহল-সহ বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি দখলে গড়ে ওঠা বাড়ি বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে। এদিন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বান্দোয়ান ব্লকের এক তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তোলেন। সেই সূত্র ধরেই ‘বুলডোজার তত্ত্ব’ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

সভা থেকে রাজ্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীবলোচন সরেনকে নিশানা করেন। আক্রমণের বাইরে থাকেননি তাঁর স্ত্রী, পুরুলিয়া জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ প্রতিমা সরেনও।

এর পর সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানান সুকান্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক এস মুরগানের গাড়িতে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুধু রিপোর্ট তলব করে লাভ নেই। তাঁর মতে, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে ‘কান ধরে তুলে নেওয়া উচিত’ কেন্দ্রীয় সংস্থায়। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি এমন কড়া পদক্ষেপের পরামর্শ দেন।

বারুইপুরে তৃণমূলের রণসঙ্কল্প সভায় ‘র‍্যাম্প রাজনীতি’ নিয়েও কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, “ভোটার তালিকার ‘ড্রাফট লিস্ট’ নিয়ে অকারণে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। কারও আপত্তি থাকলে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে, এখনই অভিযোগের কোনও যুক্তি নেই।” মৃত ভোটারদের প্রসঙ্গে তৈরি র‍্যাম্প নিয়েও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য শোনা যায় তাঁর গলায়।

২৬-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের কথাও উঠে আসে সভায়। সোমবার থেকেই জেলাশাসকদের কাছে নিয়মিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে সুকান্তের মন্তব্য, ভোটে হিংসা করলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ভাঙড়ের অশান্তি নিয়েও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, ভাঙড়ের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শাসক দলেরই তৈরি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বোমা-গুলি এবং ভোট লুঠের ‘হিসাব নেওয়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাশাপাশি, হুগলির ডানকুনিতে আদিবাসী বিএলও-র উপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তকে বাংলাদেশি মুসলিম বলেও দাগিয়ে দেন তিনি।

Post Comment