insta logo
Loading ...
×

বড়দিনে কর্মসংস্থানের জোয়ার নেমেছে পুরুলিয়ায়

বড়দিনে কর্মসংস্থানের জোয়ার নেমেছে পুরুলিয়ায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:

বড়দিন এলেই শুধু উৎসব নয়, যেন এক অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য নেমে আসে পুরুলিয়া জুড়ে। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানেই এখন কেকের মিষ্টি গন্ধ আর ব্যস্ততার ছবি। বড়দিনকে কেন্দ্র করে পুরুলিয়ার কেক শিল্প আজ শুধুই খাবারের ব্যবসা নয়, বহু পরিবারের জীবিকার অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে।
ডিসেম্বর মাস শুরু হতেই জেলার কেক কারখানাগুলিতে বেড়ে যায় কাজের চাপ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেক তৈরির কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের দাবি, অন্য যে কোনও সময়ের তুলনায় বড়দিনের আগের সপ্তাহে কেকের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের সাধ্যের কথা মাথায় রেখেই রাখা হয়েছে দাম—ছোট কেক ৩০ টাকা থেকে শুরু করে বড় কেক মিলছে মাত্র ২০০ টাকায়।

রোল কেক, পেস্ট্রি, ফ্রুট কেক থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী প্লাম কেক—নানা স্বাদের কেক তৈরি হচ্ছে স্থানীয় কারখানায়। স্বাদ ও গুণমানের কারণে এখন পুরুলিয়ার কেকের চাহিদা শুধু জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, জেলার বাইরেও ক্রেতারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন।সবচেয়ে বড় কথা, এই উৎসবের মরশুমে কেক শিল্প খুলে দিচ্ছে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা। অস্থায়ী হলেও বহু যুবক-যুবতী ও শ্রমিক এই সময়ে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে বড়দিনের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে শুধু প্লেটে নয়, সংসারের হাসিতেও।

কেক বিক্রেতা শুভদীপ নন্দি বলেন,
“এই সময় কেকের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। ক্রেতারা বিশেষ করে পুরুলিয়ায় তৈরি কেকই বেশি চাইছেন। স্বাদ আর মানের জন্য আলাদা করে চাহিদা তৈরি হয়েছে।”

কেক ক্রেতা দেবাশীষ দত্ত বলেন,
“বড়দিন মানেই কেক। পুরুলিয়ার কেকের স্বাদ খুব ভালো, গন্ধও সুন্দর। দামও ঠিকঠাক, তাই প্রতি বছর এখানকার কেকই কিনি।”

সবচেয়ে বড় কথা, এই উৎসবের মরশুমে কেক শিল্প খুলে দিচ্ছে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা। অস্থায়ী হলেও বহু যুবক-যুবতী ও শ্রমিক এই সময়ে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে বড়দিনের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে শুধু প্লেটে নয়, সংসারের হাসিতেও।

Post Comment