insta logo
Loading ...
×

শিকার নয়, উৎসব হোক,যৌথ নজরে চক্রব্যূহ অযোধ্যা

শিকার নয়, উৎসব হোক,যৌথ নজরে চক্রব্যূহ অযোধ্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি, অযোধ্যা পাহাড়:

সেন্দ্রা উৎসব নিয়ে অযোধ্যায় যৌথ নজরদারি পুলিশ ও বন দফতরের। রবিবার অযোধ্যা পাহাড়ে ওঠার সমস্ত রাস্তায় চলে বন দফতর ও পুলিশের টহল। উদ্দেশ্য বন্যপ্রাণ শিকার করতে কেউ অস্ত্র – শস্ত্র, লোহার ফাঁদ নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করতে গেলেই তাকে ঠেকানো। সোমবার বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন অযোধ্যা পাহাড়ে সেন্দ্রা। রবিবার এই উপলক্ষে বাংলা ছাড়াও ঝাড়খণ্ড সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকে মানুষজন পাহাড়ে ওঠেন। একসময় শিকার উৎসবের নামে এইদিনে প্রচুর বন্যপ্রাণ হত্যা হত।

সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্য প্রাণ রক্ষা করতে প্রচারের পাশাপশি নজরদারি বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন ও বন দফতর। রবিবার ও সোমবার দক্ষিণ পশ্চিম চক্রের চারটি ডিভিশনের আধিকারিক ও বন কর্মীদের ডিউটি দেওয়া হয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ে। প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে রবিবার বাস – ট্রেন ও ব্যক্তিগত গাড়িতে প্রায় ৬ হাজার মানুষ অযোধ্যা পাহাড়ে উঠেছেন। তবে বন দফতর ও পুলিশের দাবি এলাকার মানুষজনের সহযোগিতায় লাগাতার প্রচার এবং কড়া নজরদারির ফলে কেউ অস্ত্র নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করেনি। বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন কংসাবতী উত্তর বনবিভাগের রঘুনাথপুর রেঞ্জের বড়ন্তি, দণ্ডহিত ও গড় পঞ্চকোট পাহাড়েও অতীতে শিকারির দল প্রবেশ করত। ফলে এই সমস্ত জঙ্গলেও এদিন বন দফতর নজরদারি চালায়।

অযোধ্যায় রয়েছেন দক্ষিণ – পশ্চিম চক্রের মুখ্য বনপাল বিদ্যুৎ সরকার সহ বন দফতরে অন্যান্য আধিকারিকরা। নজরদারি খতিয়ে দেখতে এদিন অযোধ্যা পাহাড়ে ওঠার মুখে স্থানীয় শিবির পরির্দশন করে পরিস্থিতির খোঁজ নেন পুরুলিয়া বন বিভাগের ডিএফও অঞ্জন গুহ।

Post Comment