নিজস্ব প্রতিনিধি, নিতুড়িয়া :
পুজোর আগেই যেন ভাগ্যের চাকা ঘুরল নিতুড়িয়া থানার বড়তোড়িয়া গ্রামের সিভিক ভলান্টিয়ার শ্রীমন্ত মণ্ডলের জীবনে। মাত্র ১৫০ টাকার লটারি কেটে এক ঝটকায় কোটিপতি বছর পঁইত্রিশের এই যুবক।
সাত সদস্যের সংসারে শ্রীমন্তই একমাত্র স্থায়ী রোজগেরে ব্যক্তি। পরিবারের ভরসা তাঁর সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি ও বাড়ির একমাত্র সম্পদ ছোট্ট একটি টোটো, যা ভাই বা বাবা ভাড়া পেলে চালান।
শ্রীমন্ত জানান, “মায়ের আশীর্বাদেই কোটিপতি হয়েছি। প্রথমেই ভাঙাচোরা টালির ঘর ভেঙে পাকা বাড়ি বানাব। বাবার আর ভাইয়ের কর্মসংস্থানের জন্যও কিছু টাকা রাখব, বাকিটা ব্যাংকে জমা রাখব ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য।”
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যায়। ট্রাফিক ডিউটি সেরে ফেরার পথে সরবড়ি মোড়ে ১৫০ টাকা দিয়ে নাগাল্যান্ডের লটারির ২৫টি টিকিট কিনেছিলেন শ্রীমন্ত। রাত আটটার ড্রতে তাঁর একটি টিকিট প্রথম পুরস্কার জিতে নেয়। মোবাইলে ফলাফল দেখে প্রথমে অবাক হলেও দ্রুত থানায় খবর দেন তিনি। পরে পুলিশের গাড়িতে তিনি টিকিট সহ থানায় যান। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করানো হয় তাঁকে।
পুজোর আগে গ্রামের ছেলে কোটিপতি হওয়ায় বড়তোড়িয়ায় আলোচনার বিষয় এখন এটাই।









Post Comment