নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া :
পুরনো সিলেবাসে এই ছিল শেষ উচ্চ মাধ্যমিক। পাশের হার বেড়েছে পুরুলিয়ায়। গতবার পুরুলিয়ার পাশের হার ছিল ৮৫.০৬ শতাংশ। এবার এই জেলার পাশের হার ৮৯.৩২ শতাংশ। পাশের হারে জেলাগুলির মধ্যে ১৪ নম্বর স্থানে রয়েছে পুরুলিয়া।
মাধ্যমিকে এক নম্বরের জন্য এবার মেধা তালিকায় জায়গা করতে পারেনি পুরুলিয়া। আর উচ্চমাধ্যমিকে মাত্র দু’নম্বরের জন্য মেধা তালিকায় থাকলো না রুখামাটির জেলা। গতবছরও পুরুলিয়া ছিল না মেধা তালিকায়।
জেলার নামকরা স্কুলগুলির এবার আশানুরূপ ফল হয়নি। পুরুলিয়া জেলা স্কুলের সর্বোচ্চ নম্বর
৪৫৫। তিনজন সুজয় রায়, সপ্তর্ষি চক্রবর্তী ও তন্ময় গড়াই ওই নম্বর পেয়েছে। ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ ১৯৮ জন। পুরুলিয়া স্কুলের টিচার-ইন-চার্জ সুজিত খাঁ বলেন, ” আমরা ভীষণভাবে আশা করেছিলাম আমাদের ছাত্ররা মেধা তালিকায় থাকবে। কয়েকটি বিষয়ে নম্বর কমে যাওয়ার জন্য এমন অবস্থা হল। “
পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনে ৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। শুভজিৎ দে পেয়েছে ৪৭৬। তবে ঠাঁই মেলেনি মেধা তালিকায়। বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক স্বামী জ্ঞানরূপানন্দ মহারাজ বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য। “
মাধ্যমিকের মতই উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফল করেছে পুরুলিয়ার পুঞ্চার ন’পাড়া হাই স্কুল। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্মাল্য ভদ্র পেয়েছে ৪৮৪। মেধাতালিকার নম্বর থেকে ৪ নম্বর কম। নির্মাল্য বাঁকুড়ার হাটগ্রামের বাসিন্দা। তার কথায়, ” আশা করেছিলাম মেধা তালিকায় নাম থাকবে। কয়েকটি বিষয়ে নম্বর কমেছে বলে এমন হলো।” ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুকদেব মাহাতো বলেন, “বরাবর উচ্চমাধ্যমিকে আমাদের ফল ভালো হয়। তবে এবার মাধ্যমিকেও আমাদের ফল ভালো হয়েছে। “
গত ১০ বছরে জঙ্গলমহলের এই জেলা চারবার মেধা তালিকায় জায়গা করতে পারেনি। ফলে হতাশা যেন কুরে কুরে খাচ্ছে জেলার শিক্ষামহলকে।











Post Comment