নিজস্ব প্রতিনিধি, মানবাজার:
জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রতি মঙ্গলবার মা মঙ্গলচণ্ডীর পুজো ঘিরে গ্রামবাংলায় তৈরি হয় বিশেষ আধ্যাত্মিক পরিবেশ। পুরাণ কাহিনি অনুযায়ী ধনপতি সওদাগরের পত্নী খুল্লনা দেবীর প্রথম পূজার সূচনা করেন। সেই প্রথা আজও একই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছে বাংলার
মহিলারা।
ভবিষ্য পুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, মা মঙ্গলচণ্ডী মূলত গৃহস্থালী সুখ-সমৃদ্ধির দেবী। সাধারণত দেবী দ্বিভুজা রূপে চিত্রিত হন। পদ্মহস্তা ও পদ্মাসনা এই রূপে তিনি মাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পূজিত হন। বিশেষত গৃহিণীদের মধ্যে দেবীর আরাধনার প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
মানবাজার থানা সার্বজনীন কালী মন্দিরে মা মঙ্গলচণ্ডীর বিশেষ পুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই ভক্তসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। মন্দির প্রাঙ্গণ জুড়ে ছিল ধূপ-ধুনো ও স্তোত্র পাঠের মধ্য দিয়ে এক বিশেষ ধর্মীয় আবহ। মহিলা ভক্তদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি, অনেকেই উপবাস থেকে পুজো সম্পন্ন করেন। স্থানীয় পুজারী শুভজিৎ চক্রবর্তী জানান, “মা মঙ্গলচণ্ডীর প্রতি মানুষের বিশ্বাস অগাধ। এই পুজোর মাধ্যমে সংসারে শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা করা হয়।”
মানপুরের ঋতুপর্ণা বাউরি বলেন, “ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি মা মঙ্গলচণ্ডীর পুজো। এখন নিজেরাও একই নিষ্ঠায় পালন করি।”
এই ভাবগাম্ভীর্যে পুজো প্রথা শুধু ধর্মীয় নয়। সামাজিক সংহতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে গণ্য হয় মানবাজার অঞ্চলে।











Post Comment